নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এক মাসের ব্যবধানে দেশে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার আরেক দফা বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা ডিসেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
জানুয়ারি মাসে খাদ্যবহিভূর্ত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৭ শতাংশ। মূলত খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বাড়লেও খাদ্যবহিভূর্ত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমে আসায় সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমেছে বলে দাবি করছে বিবিএস।
সংস্থাটির হিসাবে গত জানুয়ারি মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার আগের মাসের চেয়ে কমেছে। বুধবার সংস্থাটি সর্বশেষ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি) চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশে। ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি মাসে শহরে ও গ্রামে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার আরেক দফা বেড়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এক মাসের ব্যবধানে দেশে মোটা, সরু সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ভোজ্য তেল, চিনি, মসলা, দুধ, মাছের দাম। গরু, খাসিসহ মাংসের দামও বেড়েছে। কমেছে ডিম, পেঁয়াজ, আদা, রসুনের দাম। এক মাসের ব্যবধানে কমার তালিকায় রয়েছে আলুর দামও।
বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, গ্রামীণ পর্যায়ে জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূলস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ যা ডিসেম্বরে ছিল ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ সময় গ্রামীণ অঞ্চলে জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যবহিভূর্ত পণ্যে জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৩২ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
অন্যদিকে শহর পর্যায়ে জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শহরাঞ্চলে ডিসেম্বর মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ থাকলেও জানুয়ারি মাসে বেড়ে হয়েছে ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে খাদ্যবহিভূর্ত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ।






