নিউজ বাংলা ডেস্কঃ 

ভোররাত থেকেই সিলেট-সুনামগঞ্জে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। জাফলং, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর এলাকা নিয়ে প্রবল বেগে ঢুকছে ভারতের পাহাড়ি ঢলের পানি। এতে সিলেট-সুনামগঞ্জে হু হু করে বাড়ছে বন্যার পানি। তলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক এলাকা। কারো ঘরে কোমর পানি আবার কারো ঘরে বুক পানি। গোটা সিলেট শহরের ৭০ ভাগ এলাকা বিদ্যুৎহীন। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন গোটা সুনামগঞ্জ জেলা। আতঙ্ক বাড়ছে বানভাসি মানুষের মধ্যে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দুটি জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা। অমানবিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে।গবাদি পশুসহ হাজারো মানুষ গাদাগাদি করে থাকছেন একসঙ্গে। তিল ধারণের ঠাঁই নেই সেখানে। নেই খাবার-সুপেয় পানি। অভুক্ত মানুষগুলো নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। আজও সকাল থেকে উদ্ধার তৎপরতায় নেমেছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
এদিকে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সুনামগঞ্জে। এই জেলাটির ১১ উপজেলার সবগুলি তলিয়ে গেছে। ফলে প্রায় ২৯ লাখ মানুষ এখন বন্যার দুর্ভোগে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ছয়টি উপজেলা প্লাবিত হওয়ার পর পানি বেড়ে শুক্রবার বিকাল থেকে তলিয়েছে বাকি পাঁচটি উপজেলাও। জেলার সঙ্গে দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের পর এখন ১১ উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। বিদ্যুৎও নেই।  বৃহস্পতিবার বিকালে সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা পানিতে তলিয়ে যায়। দিরাই উপজেলায় শুক্রবার বিকেল থেকে সেনাবাহিনী উদ্ধারে নেমেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here