এবি পার্টির নিবন্ধন সংক্রান্ত ধারাবাহিক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজয় নগরস্থ এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বিকেল ৪ টায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় দল নিবন্ধনের শর্ত সমুহ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের কিছু শর্ত নতুন দলগুলোকে হাত পা বেঁধে সাঁতার কাটতে বলার মত।
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)’র উদ্যোগে ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ ও যুবপার্টির শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত প্রথম কর্মশালা উদ্বোধন করেন দলের আহবায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী।
কর্মশালা উদ্বোধনকালে পার্টির আহবায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ঢাকা মহানগরীর থানা সমুহে পার্টির কার্যকর অফিস, কমিটি ও ভোটার সদস্যের তালিকা সুন্দরভাবে করতে হবে যাতে কেউ কোন প্রশ্ন তুলতে না পারে। তিনি নেতৃবৃন্দকে দলের নির্দেশনা মেনে আজ থেকেই মাঠে কার্যকর ভুমিকা রাখার আহবান জানান।
পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, নির্বাচন কমিশনের কিছু শর্ত নতুন দল নিবন্ধনের বড় প্রতিবন্ধকতা। একটি নতুন দল অফিস ভাড়া নিতে গেলে মানুষ ভাড়া দিতে ভয় পায়, তারা বলে যে দলের নিবন্ধন নাই সেই দলকে আমরা অফিস কিভাবে ভাড়া দিবো? কমিশন আমাদের কাছে প্রায় ২২ হাজার ভোটারের সমর্থসূচক প্রমাণপত্র চায় অথচ জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে কর্মী সংগ্রহের জন্য রাজনৈতিক সভা করতে গেলে পুলিশী বাঁধার কারণে আমরা বহু জায়গায় সভা করতে পারিনা। কোথাও কোথাও পুলিশ বলে অনিবন্ধিত পার্টিকে প্রোগ্রাম করার অনুমতি দেয়া যাবেনা। দলে নতুন কেউ যোগ দিলে গোয়েন্দা সংস্থা সমুহের লোকজন তদন্তের নামে ফোন করে বাড়ী ঘরে গিয়ে নানা ভাবে এমন ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরী করে যেন নতুন কোন দলে যোগ দেয়া একটা অপরাধ। নির্বাচন কমিশনের এই শর্ত নতুন দলগুলোকে এক প্রকার হাত পা বেধে সাঁতার কাটতে দেয়ার সমতুল্য।
তিনি আরো বলেন, আমরা শত চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে নতুন রাজনীতি শুরু করেছি। নির্বাচন কমিশনের সকল শর্ত পূরণ করেই এবি পার্টি নিবন্ধন নিবে ইনশাআল্লাহ।
ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ মহানগর নেতৃবৃন্দকে বলেন, মহানগরীর থানা গুলো থেকে কোন অস্পষ্ট বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়া যাবেনা। দেশের বড় রাজনৈতিক দলের দাবীদারদের মতো সরকারি জায়গা বা খাস জায়গা দখল করে পার্টি অফিস করা যাবেনা। সকল শর্ত সঠিকভাবে পূরণ করেই এবি পার্টি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবে ইনশাআল্লাহ।
কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক বিএম নাজমুল হক, পার্টির দফতর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, সহকারী সদস্য সচিব আনোয়ার সাদাত টুটুল, যুব পার্টির সমন্বয়ক এবিএম খালিদ হাসান, মহানগর উত্তরের আহবায়ক আলতাফ হোসাইন, সহকারী সদস্য সচিব শাহ আব্দুর রহমান, যুবনেতা শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ইলিয়াছ আলী, আনোয়ার ফারুক, ফিরোজ কবীর, তফাজ্জল হোসেন রমিজ, শফিউল বাশার, শিলা আক্তার প্রমূখ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here